Thursday, July 9, 2015

যোগ দিবস উদযাপন

"বিরোধীরা যখন তোমার দিকে ফুল ছুড়বে তখন বুঝবে তুমি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছ আর বিরোধীরা যখন তোমার দিকে জুতো ছুড়বে, বুঝতে পারবে যে তুমি তোমার লক্ষ্যে স্থির আছো।" - প্রাচীন প্রবাদ।

ভারতীয় যোগব্যায়াম আজ সারা পৃথিবীতে এমন জায়গায় পৌছে গেছে যে সেটার উপযোগিতা আজ আর কারুর স্বীকৃতির মুখাপেক্ষী নয়। স্থান, কাল আর পাত্রের উপস্থিতি উপেক্ষা করে আজ তা কালজয়ী আর সার্বজনীন। সারা বিশ্ব নির্দ্বিধায় মেনে নিয়েছে যে গণিতের শূন্য (০) বা চিকিৎসায় আয়ুর্বেদের মত যোগব্যায়ামও হল বিশ্বের সমস্ত জনসাধারণের প্রতি প্রাচীন ভারতের সনাতনী সভ্যতার এক অমূল্য অবদান।
এমতাবস্থায়, যোগ নিয়ে মোদী সরকারের অবস্থান ও প্রচার আমার কাছে নিছকই বাগাড়ম্বর বলে মনে হয়েছে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনের মত সময়োপযোগী বিষয়গুলিকে অবজ্ঞা করে যোগের মত একটি বিষয়, যা ইতিমধ্যেই সর্বজন স্বীকৃত, নিয়ে ঢক্কানিনাদ আমাকে আকৃষ্ট করেনি। আমার স্থির বিশ্বাস ছিল এবং আছে যে যোগ হল এমন একটি বিষয় যার প্রসঙ্গ ওঠা মাত্র সবাই নির্বিরোধে মেনে নেবে। লোকসভায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের থেকে জনগন আরও বেশী কিছু আশা করে।

কিন্তু যোগব্যায়াম নিয়ে এদেশে বসবাসকারী মুসলিমদের আচরণ এবং তাদের তোষামোদকারী বিরোধী দলগুলির আচরন প্রমান করে দিয়েছে যে তারা এইদেশে বংশপরম্পরায় বাস করে আসলেও নিজেরা কখনই এইদেশের হয়ে উঠতে পারেনি। এই কারণেই ভারতের সুমহান পরম্পরা নিয়ে গর্ব করতে তাদের এত কুণ্ঠা। এক্ষেত্রে ওয়েশীর সাথে সোনিয়া গান্ধী বা সীতারাম ইয়েচুরির মানসিকতার কোন তফাৎ নেই, ভাষাটা আলাদা কিন্তু ভাবটা এক। এদের একমাত্র লক্ষ্য ভারতীয়দের হীনমন্যতায় ডুবিয়ে রাখা যাতে তারা তাদের গৌরবময় ইতিহাস থেকে প্রেরণা না পেতে পারে। স্বদেশের ঠাকুর ছেড়ে বিদেশের কুকুর পূজা করতেই এদের বেশী আগ্রহ।

এদের সম্মিলিত বিরোধিতা সত্বেও গত ২১শে জুন সমগ্র বিশ্বের সাথে দিল্লীর রাজপথেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে হাজার হাজার দেশবাসীকে সোৎসাহে যোগব্যায়াম করতে দেখলে এদের রাতের ঘুম উড়ে যায়। আগত দিনে নিজেদের অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়ার ইঙ্গিত এদের কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাই যোগাভ্যাস করাকালীন নরেন্দ্র মোদী অবস্থানগত কি কি ভুল করেছেন তাই নিয়ে এরা সোশাল মিডিয়াতে ঝড় তোলার ব্যর্থ চেষ্টা করে। এ যেন সেই মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করা নিয়ে বাড়ির বিধবা পিসিমার ভূমিকা। প্রথমে মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করাতেই আপত্তি আর তার আপত্তি অগ্রাহ্য করে মেয়েটি স্কুলে ভর্তি হলেও সে কেন পরীক্ষায় ফার্স্ট হলনা তাই নিয়েও তাকে কটুক্তি। পঁয়তাল্লিশ বছরের "যুবরাজ" নিজেকে "তরতাজা" করতে ব্যাঙ্ককে চুপিচুপি ছাপান্ন দিনের ছুটি কাটিয়ে আসলে কারুর মাথাব্যথা নেই কিন্তু পঁয়ষট্টি বছরের বৃদ্ধ সকলের সাথে প্রকাশ্যে যোগাভ্যাস করলে এরা খুঁত খুজতে ব্যস্ত।

তবে প্রাচীন প্রবাদে বিশ্বাস রাখলে স্বীকার করতেই হবে যে মোদী তার উদ্দেশ্যে একশ শতাংশ সফল। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালনের মাধ্যমে তিনি শুধু ভারতের ঐতিহ্যময় অতীতকেই তুলে ধরেননি সাথে এদেশে বসবাসকারী সেই সব বিশ্বাসঘাতকদেরও মুখোশ খুলে দিয়েছেন যারা শারীরিকভাবে এদেশে বাস করলেও মানসিকভাবে কখনই এদেশের হয়ে উঠতে পারেনি।

North Bengal Tour

On 19th June, I accompanied Adv. Brojen Roy, Vice-President Hindu Samhati and Sujit Maity during their tour of North Bengal. We begun our program with a meeting at Mariakund village near Gajol in the district of Maldah. We reached the place at around 7:30 PM through muddy road. Though it was quite late in the night, especially considering the local ambiance, there were 45-50 youths present in the meeting. The meeting took place in a newly built ashram which provides residential facility to students. The villagers had already witnessed jihadi attack back in 2009 and cases are still pending against some of them. We made them aware about the changing scenario of West Bengal due to rapid demographic change as part of jihadi conspiracy which is being expedited due to minority appeasement policy of all political parties and reluctant attitude of administration. We also had interesting interactive session at the end of the meeting. The meeting continued for more than 2 hours under open sky and only a few emergency hurricanes were source of light which hardly enabled us to see each other’s face. After meeting, we had dinner in the ashram and left for Raigunj.

Next day, we left for Bhatol village to attend Kshatrashakti Jagaran Yajna. There was quite enthusiasm amongst the villagers over the event. The Yajna was conducted by Swami Niranjanananda Maharaj from Bharat Sevashram Sangha. More than 100 villagers took active part in the Yajna. Women participated in the event in quite good numbers. Around 40 boys of Hindu Samhati took pledge to protect the society and offered ahuti to Yajna. After the Yajna, Swamijis from Bharat Sevashram Sangha performed aarti of Swami Pranabananda and also displayed their expertise with weapons like sword, chakra etc. The event was concluded with the message from Swami Niranjanananda Maharaj and Sri Brojen Roy appealing people to learn the art of self defense. Swamiji advised them to practice their traditional weapons like bow-arrow and appealed women villagers to keep small but sharp weapon with them for self defense. After the event, khichuri was distributed amongst the villagers. After the completion of the event, we went to Dalkhola.

In the morning of 21st June, we went to Karandighi village near Samaspur and held a meeting with villagers. After the meeting, we moved to Kaligram where another meeting took place. More than 50 villagers joined the meeting. After meeting, we had lunch in the village and further moved to Jagatgao, a border adjacent village. After the meeting, we left for Kolkata late in the afternoon.

স্বপ্নভঙ্গ

স্থান - আসানসোল। কাল - ২০১৪এর নির্বাচনী প্রচার। পাত্র - ভারতীয় জনতা পার্টীর প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদী।

"মিত্রো...আপনাদের আশীর্বাদ নিয়ে যদি কেন্দ্রে ভারতীয় জনতা পার্টীর নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয় তাহলে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে এদেশে এসে বসবাসকারী সবাইকে আমরা সীমান্তের ওপারে পাঠিয়ে দেবো।"

বক্তৃতা শেষ হতে না হতেই সারা রাজ্য তথা দেশজুড়ে বিতর্কের ঝড় উঠে গেল। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিও মোদীর এই বক্তব্যকে ভিত্তি করে ঘোলাজলে মাছ ধরতে নেমে পরলো। ধর্মীয় তথা সাংস্কৃতিক কারনে বাংলাদেশে অত্যাচারিত হয়ে নিজেদের নিরাপত্তা তথা অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে এদেশে আশ্রিত হিন্দুরাও মোদীর কথায় প্রমাদ গুনলো।

চতুর রাজনৈতিক মোদী বুঝলেন যে চালে কিছুটা ভুল হয়ে গেছে। মুসলমানদের ভোট যে তিনি কোনদিনই পাবেন না সেটা তিনিও বোঝেন আর তাই বক্তব্যর পর হিন্দুরাও দ্বিধাগ্রস্থ হয়ে পরেছে। তাই বারাসাতে, নিজের পরবর্তী জনসভায়, তিনি তার আগের বক্তৃতার ব্যাখ্যা করে বললেন যে তিনি সেইসব লোকেদের তাড়ানোর কথা বলেননি যারা বাংলাদেশে নিরাপদে দুর্গাপূজা করতে না পেরে এই দেশে এসেছে। অর্থাৎ সরকার গঠন করলে তিনি যে খালি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের এই দেশ থেকে তাড়াবেন, হিন্দু শরণার্থীদের নয় এই আশ্বাস তিনি দিলেন। আর এর ফলও মিললো হাতেনাতে। জেহাদী আক্রমনে জর্জরিত পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির একধাক্কায় দশ শতাংশেরও বেশী বেড়ে গেল। আর শুধু পশ্চিমবঙ্গ কেন, এই মেরুকরণের ফলে সারা দেশেই বিজেপির ঢেউ উঠে গেল আর পরিনামে এনডিএ-র জন্যে ২৭২+ এর প্রত্যাশী বিজেপি একাই ২৮২ টি আসন জিতে গেল।

জেহাদি সন্ত্রাস থেকে মুক্ত হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ভোট দেয়া হিন্দুরা নতুন সরকার গঠন হওয়ার কিছুদিন পরেই জানতে পারলো যে ভারতে বসবাসকারী মুসলমানরা নাকি আদতে দেশপ্রেমীক,তারা নাকি এই দেশের জন্যে জীবন পর্যন্ত দিতে পারে আর সেটা জানালেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, নরেন্দ্র মোদী। যদিও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস ঘেঁটে কতজন মুসলমান দেশের জন্যে ফাঁসিকাঠে প্রান দিয়েছে সেই তথ্য জানাবার কোন দায় তার ছিলনা।

হিন্দুরা মোদীর বক্তৃতা শুনে যে স্বপ্ন দেখে ভোট দিয়েছিল - সেটা রামমন্দির নির্মান হোক বা নেতাজীর অন্তর্ধান রহস্য প্রকাশ - বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সেই স্বপ্নগুলির কিছুকে 'জুমলা' (নির্বাচনী ধাপ্পাবাজি) বলে ঝেড়ে ফেলা হল আর বাকিগুলির জন্যে প্রয়োজনীয় সাংসদ না থাকার অজুহাত দিয়ে দেয়া হল। ভক্তদের জগঝম্পের মাঝে এই প্রশ্ন উঠতেই দেয়া হলনা যে স্বপ্ন দেখানোর সময় তিনি যে সংখ্যার দাবী করেছিলেন হিন্দুরা তার থেকে অনেক বেশী সংখ্যাই তাকে দিয়েছে।

ভোটের সময় যে মোদী দাবী করেছিলেন যে বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দু শরণার্থীদের তিনি এই দেশের নাগরিকত্ব দেবেন আর মুসলমান অনুপ্রবেশকারীদের ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ওদেশে ফেরত পাঠাবেন সেই মোদী আজ আসামে NRC তৈরির অছিলায় বাঙালী হিন্দুদের এই দেশ থেকে তাড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা প্রায় চুড়ান্ত করে ফেলেছে। ওদেশ থেকে নিরাপত্তার স্বার্থে এদেশে এসে আশ্রয় নেয়া হিন্দুদের Push back- এর নামে বিএসএফ-কে দিয়ে গুলি করে মেরে ফেলতেও কুণ্ঠিত নয় মোদী সরকার। আজ যা আসামে শুরু হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে সেটা শুরু হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। এক সারদার জুজু দেখিয়ে, দিদির আগেকার আপত্তিকে উড়িয়ে যদি খোদ তাকে পাশে বসিয়েই ভারতের অতিরিক্ত ১০,০০০ একর জমি বাংলাদেশকে দিয়ে দেয়া যায় তাহলে রোসভ্যালী বা ভাইপোকে দেখিয়ে এই রাজ্য থেকে হিন্দু খেদানোও খুব একটা কঠিন কাজ হবে বলে মনে হয়না। হাজার হোক, এই দেশের উপর "দেশপ্রেমিকদের" মত অধিকার তো আর অন্য কারুরই নেই, তাই না?

Jumla?

During the campaign for the general election 2014, in a rally at Asansole, Narendra Modi announced that every single person who illegally entered the country from Bangladesh would be driven away. That created huge furore in the state politics as ruling party along with other local parties interpreted that announcement as potential threat to even Hindu migrants and panic loomed large all over the state.

Sensing the panic, Narendra Modi came out with an explanation in the laterpart of his campaign. In his rally at Barasat, he explained that those who worship Maa Durga and have been forced to come to this country for continuous attack on them over their religious & cultural identity (read Hindus), need not to worry as they will be considered as migrant, not infiltrator, and awarded with citizenship status. This came as a big relief for Hindus and they thought, finally, 'achhe din' were to come.

Now, after one in the office, Modi Sarkar is all set to act in a way which is 180 degree opposite to it's poll promise. The following report suggests, the claim made by Modi, during campaign, to determine the status of different communities with a realistic approach based on ground realities, has received a big jolt as, now, everyone, irrespective of their religious & cultural identity, shall be considered on the basis of common yardstick. There will be no difference between a migrant and infiltrator though there is specific UN guideline to differentiate between the two.

Hapless Hindu migrants who thought, during campaign, that 'achhe din' were to come, are now living with the worst nightmare of their life to become victim of another poll prank popularly known as 'jumla'.

Importance of opposition in democracy

Viable opposition is a very important topic in political science. The word 'viable' actually is the key factor that determines the quality of opposition. It reflects many things like number, performance, credibility and many other characteristics of the opposition.

In democracy, a viable opposition holds the key to the performance of the party in power. In absence of a viable opposition, there is always a possibility that democracy may turn into an autocratic form of governance.

In democracy, number is always an important factor, not absolute though, to determine the strength of a viable opposition. In case oppositions are totally routed, as happened in the last assembly election in Delhi, there will hardly be any check over the functioning of the ruling party and thus an autocratic government shall be in force under the cover of democracy.

Though number is important in democracy but it is not supreme. The stature of the leaders in opposition is equally important to turn opposition into a viable one. The performance of Dr. Shyama Prasad Mukherjee against then Prime Minister Nehru, as the leader of the opposition in the Lok Sabha with only 2 MPs, has already become myth. Whereas, if we look at today's scenario, in Maharashtra or J&K, though oppositions have substantial number yet they are not upto the mark in discharging their duties as they do not have leaders of required stature in compare with that of ruling parties.

The third and probably the most important factor to determine a viable opposition lies in the credibility of leaders in opposition. The credibility also plays a pivotal role to determine the stature. In absence of any credible leadership, opposition is bound to succumb under the pressure of government. In such cases, people are, hardly, left with any choice to express their dissent against the ruling party. The case of West Bengal is the best illustration of such scenario.

So, mere opposition is not capable to discharge it duties unless it is a viable one. An incapable opposition, more often than not, becomes a toy in the hand of government to camouflage it's unethical acts. Selection of CVC & CIC are the glaring instances of such practices.

অজিত দোভাল

প্রচারের আলো থেকে নিজেকে সযত্নে সরিয়ে রেখেও কিভাবে দেশের স্বার্থ রক্ষা করা যায় আজকের দিনে তার সবচেয়ে বড় দৃষ্টান্ত হলেন ভারতের সুরক্ষা উপদেষ্টা, শ্রী অজিত দোভাল। মিডিয়ার ধরাছোঁয়া এবং রাজনৈতিক কুটকাচালি এড়িয়ে, অত্যন্ত শান্তভাবে তিনি নিজের লক্ষ্যে অবিচল।

ব্রজেশ মিশ্রের মত অযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা বানিয়ে বাজপেয়ী যে ভুল করেছিলেন, মোদী সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছেন আর তার লাভও তিনি হাতেনাতে পাচ্ছেন। ইয়েমেন থেকে ইসরায়েল, কানাডা থেকে অস্ট্রেলিয়া, মোদীর সবকটি আন্তর্জাতিক সাফল্যের পিছনেই আসল মস্তিষ্ক শ্রী অজিত দোভাল। আর মোদী স্বয়ং দোভালের উপর এতটাই ভরসা করেন যে তাকে দেশের স্বার্থে সবরকম সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার দিয়ে রেখেছেন। শোনা যায় যে ইসরায়েলের সাথে সামরিক চুক্তির সময় বিদেশ মন্ত্রক ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের থেকে সম্মতি পাওয়ার আগেই শ্রী দোভাল চুক্তিপত্র সই করে দেন।

মোদীর অধিকাংশ বিদেশ সফরেই দোভাল তার অনিবার্য সঙ্গী। সদ্য বাংলাদেশ সফরেও তাঁর যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু গত ৪ঠা জুন মনিপুরে ভারতীয় সৈন্যদের উপর হামলা হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। মোদীর সফরসঙ্গী না হয়ে দোভাল দিল্লীতেই থেকে যান এবং বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাউন্টার অ্যাটাকের পরিকল্পনা সাজান। আর্মি ও এয়ারফোর্স যৌথ আক্রমনের রুপরেখা তৈরি করার পর মায়ানমারের ভারতীয় দূতাবাস থেকে সেই মর্মে মায়ানমারের সরকারকে অবহিত করা হয়। এরপরেই ভারতীয় সেনা মায়ানমারের সীমা পার করে সেদেশে ঢুকে জঙ্গিদের আক্রমন করে।

মাননীয় রেলমন্ত্রী সমীপেষু

মহাশয়, "রেলযাত্রী/গ্রাহক পক্ষ" উপলক্ষে আপনার মন্ত্রালয়ের তরফ থেকে বিভিন্ন স্টেশন, লেভেলক্রশিং সহ সংবাদপত্রগুলিতে বিজ্ঞাপন দিয়ে সুরক্ষার স্বার্থে যাত্রীদের বিভিন্ন প্রকার "DOs & DON'Ts" মেনে চলতে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। দেশব্যাপী এই বিশাল প্রচারে ব্যবহৃত হওয়া টাকা যে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন বাবদ রেলের আয় থেকে খড়চা করা হচ্ছে সেটা সহজেই অনুমেয়।

আপনাদের এই বিশাল কর্মকান্ড দেখে মনে প্রশ্ন জাগে যে এই "DOs & DON'Ts" গুলো কি খালি যাত্রীদের জন্যেই প্রযোজ্য, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কোন দায় নেই? বৈধ টিকিট কেটে ভ্রমন করা যাত্রীদের নিরাপত্তার কোন দায়িত্বই কি রেল পালন করবেনা? দায় যদি থেকেই থাকে তাহলে কি করে শিয়ালদহের মত গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে, GRP ও RPF-এর বিপুল সংখ্যক উপস্থিতি সত্বেও তাদের দৃষ্টি এড়িয়ে দুষ্কৃতিরা বোমা ও পিস্তল সহ নানা প্রাণঘাতী অস্ত্র নিয়ে ট্রেনে সওয়ার হতে পারে? দায় যদি থেকেই থাকে তাহলে কি করে গত ৪ঠা জুন, সমুদ্রগড় স্টেশনে, দুষ্কৃতীরা বিনা বাধায় রেলওয়ের সম্পত্তি ভাংচুর করতে পারে, সেগুলিতে আগুন লাগাতে পারে এমনকি উপস্থিত যাত্রীদেরও আক্রমন করতে পারে? "রেলওয়ে সম্পত্তি আপনার সম্পত্তি। একে নষ্ট করবেন না" বলেই আপনার দায়িত্ব শেষ, একে রক্ষা করার কোন দায় নেই? তাহলে জনগণের টাকায় খামোখা সুরক্ষা দল পুষে কি লাভ?

জনগণ অনেক স্বপ্ন নিয়ে 'আচ্ছে দিনে'র আশায় এবার ভোট দিয়েছিল, বছরে একদিন সংসদে দাঁড়িয়ে বাজেট পেশ করলেই সুদিন আসবেনা। আশা করি আপনি তাদের এই আশার উপযুক্ত মর্যাদা দেবেন এবং আপনার পূর্বসূরিদের বিপড়িত পথে হেঁটে ভারতীয় রেলকে তার হৃত সম্মান পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করবেন।

বিনীত,
প্রসূন মৈত্র
 

প্রসঙ্গ: স্বচ্ছ ঘুষিপাড়া অভিযান

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্বচ্ছ ভারত অভিযানের অঙ্গ হিসাবে কিছুদিন আগে আমাদের অফিস থেকে অফিস সংলগ্ন, মুসলিম অধ্যুষিত, ঘুষিপাড়া অঞ্চলটিকে নির্বাচিত করা হল। বিশাল আয়োজন। বেশ কিছু নতুন ঝাঁটা কেনা হল, ডাস্টবিন কেনা হল, এমনকি ঝাঁট দেবার সময় মুখে লাগানোর মাস্কও কেনা হল।
তারপর নির্দিষ্ট দিনে, আমন্ত্রিত প্রেসের সামনে শুরু হল সাফাই অভিযান। ম্যানেজমেন্ট ও ইউনিয়ন - দুই তরফেরই অধিকারীরা বাকি সকলের সাথে হাত মিলিয়ে রাস্তা পরিস্কার করলেন। সকলের ঐকান্তিক শ্রমে কিছুক্ষনের মধ্যেই এলাকার রূপ বদলে গেল। রাস্তার দুইপাশে, সদ্যকেনা, ডাস্টবিনও বসানো হল। আর এই কর্মযজ্ঞ দেখতে উপস্থিত এলাকার অধিবাসীদের অনুরোধ করা হল তারা যেন এই রাস্তা পরিস্কার রাখেন আর আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলেন।
খুব বেশী হলে দিন দুয়েক এরকম পরিচ্ছন্ন রূপ বজায় ছিল, তারপরই আবার সে তার পুরনো রূপ ধারণ করলো। কিছুদিনের মধ্যে রাস্তার পাশে বসানো বেশ কিছু ডাস্টবিনও গায়েব হয়ে গেল। একসপ্তাহ পরে, আনন্দবাজারে প্রকাশিত ছবি ছাড়া, আমাদের অফিসের স্বচ্ছ ভারত অভিযানের আর কোন প্রমানই রইল না।
তবে এটা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, আমাদের দেশের অধিকাংশ স্থানে, যেখানে নিয়মিত নজরদারি নেই, এরকম হওয়াটাই স্বাভাবিক। যতদিন না আমরা আমাদের জাতীয় সম্পত্তিগুলিকে আপন বলে ভাবতে শিখবো, এরকম চলতেই থাকবে। তাই জাতীয় চেতনার উন্মেষ ছাড়া জাতীয় উন্নয়ন অলীক স্বপ্ন বই আর কিছু নয়।

Aadhar fiasco

BJP went all out against UPA, Nandan Nielkeni and his brainchild Aadhar demanding constitutional validity of the project while it was in opposition. A few of them even went on to allege that Aadhar project was Christian lobby's ploy, which was being implemented, to get access to biometric record of citizens.
Now, once BJP came to power, all the equations have suddenly got changed. Even though the Supreme Court has ruled out Aadhar as a valid document to be considered for citizenship, Narendra Modi led NDA govt is hell bent to merge Aadhar with every documents of citizens. After it's decision to link Aadhar with Voter Id card and PAN card, now, it wants to link it, newly launched, digital locker as well. If this is done, anybody with a key to Aadhar records, shall be able to access every single detail of any citizen though Aadhar itself does not have any constitutional validity.
Now, the questions is, if Aadhar was implemented by Sonia under the advise of Christian lobby, as alleged by BJP then, what is compelling Narendra Modi to implement it now?

কর্তব্য

আবেদন-নিবেদনের দ্বারা কখনও কোন লক্ষ্যপ্রাপ্তি হয়না, সংঘাতই একমাত্র উপায়।
কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের আগে কৌরব রাজসভায় শ্রীকৃষ্মের শান্তিদূতের ভূমিকা থেকে ইংরেজদের প্রতি গান্ধীর অনশনের অহিংস সত্যাগ্রহ, ইতিহাস সাক্ষী যে শুধু শান্তির মাধ্যমে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা অসম্ভব। এই কারনেই যে শ্রীকৃষ্ম বরাবর যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা করছিলেন তিনিই গীতার মাধ্যমে অর্জুনের ক্লীবত্বকে ধ্বংস করে তাঁকে যুদ্ধ করতে প্রেরণা দেন। এই কারনেই সুভাষ চন্দ্র বোস কংগ্রেসের আবেদন-নিবেদনের রাজনীতি ছেড়ে নেতাজী রুপে সৈন্যদল গঠন করেন এবং ব্রিটিশকে ভারত ছাড়তে বাধ্য করেন।
আজও যারা বিশ্বাস করেন যে আবেদন-নিবেদনের দ্বারা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যপূরন সম্ভব তারা হয় ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞ অথবা জেনেবুঝে নিজেদের ঠকাচ্ছেন। টমাস জেফারসন যথার্তই বলেছেন "অন্যায়টাই যখন নিয়ম হয়ে দাঁড়ায়, প্রতিবাদটা তখন কর্তব্য"।

Bhakts

Really pissed off with the attitude of 'vakts' who are comparing Modi's one year in power with that of Man Mohan Singh. 'vakts' are justifying Modi's 53 days world tour covering 18 countries with MMS's 47 days of tour covering 12 countries. They are even propagating India's latest 85th rank in the list of transparency compared to 95 last year.
One question to 'vakts'- If Mannu's govt was that much worthy to compare as an yardstick, should they been forced to cease into mere 44 numbers of parliament and that too after sticking to power for 10 years?
One simple request to 'vakts'- Country have rejected MMS govt and thus its style of functioning one year ago. Don't do injustice to the mandate given to Modi by comparing it with Mannu's performance.

Change in stand?

I remember the hullabaloo created by the opposition in the year 1988, when, during his visit to People's Republic of China, then Prime Minister of India, Rajiv Gandhi, conceded a good areas of India's land to China when he said that the McMohon has been a bit thicker in some areas, so, it could not be determined who was the actual owner of that area. It was no wonder that Rajiv Gandhi felt no attachment with land of his own country just like his grandfather J.L.Nehru, who was in no pain as China forcibly captured some portion of India's territory at then NEFA (North East Frontier Agency) as he said in the Parliament, "what is the use of that land where not even a grass can be grown?". Dr. S.P. Mukhopadhyay, the leader of the opposition, promptly countered him, "even though there is no hair in the head of our Prime Minister, should we consider that as valueless?".
Since then, gallons of water has passed through the river Ganga and Hoang Ho. The party, which was in opposition then and made furor over the Prime Minister, has come to power now. But has there really been any change in the attitude in the last 27 years? People, who objected to the "thick line" comment then, are now of the view that "there is no commonly delineated Line of Actual Control (LAC) in the border areas between India and China". After making such comment in the Parliament, can we ever claim forceful possession of India's territory by China in any international forum or during bilateral discussion?

সিদ্ধান্ত আপনার

আগের কথা যদি নাও ধরি, গত ১৫ দিনে হিন্দু সংহতি ও জন অধিকার মঞ্চ উভয় মিলে মল্লিকপুর, কলিগঞ্জ আর হাঁসখালি সহ তিনটি ঘটনা সারা রাজ্য তথা দেশ তথা পৃথিবীর সামনে তুলে ধরেছে। কলেজ স্কোয়ার ও বউবাজারে দুটি বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেছে। প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত করেছে। মেইনস্ট্রীম মিডিয়ার একটা অংশকে বাধ্য করেছে খবরগুলি জনসমক্ষে আনতে।
তাদের এই ভূমিকা বিভিন্ন সোশাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে। 'লাইক', 'শেয়ার', 'রিটুইট' আর 'ফেবারিট'-র জোয়ার এসেছে তাদের প্রতিটা পোষ্টে। কমেন্টে কমেন্টে উপচে পরেছে তাদের ছবি ও পোষ্টগুলি। www.hindusamhati.net এর ভিসিটর সংখ্যা এই পনের দিনেই ৬ হাজার থেকে বেড়ে ৯১ হাজারে পৌছে গেছে। কিন্তু তারপর?
উক্ত পোষ্টগুলিতে যারা কমেন্ট করেছেন বা সেগুলি 'লাইক', 'শেয়ার', 'রিটুইট' আর 'ফেবারিট' করেছেন বা যারা হিন্দু সংহতির ওয়েব সাইট পর্যন্ত ভিসিট করেছেন তাদের মধ্যে কতজন সেই সাইটেই 'ডোনেট' অপশনে ক্লিক করেছেন? সোশাল মিডিয়ায় হিন্দু সংহতি বা জন অধিকার মঞ্চের কাজের প্রশংসা করলে বা সেটা শেয়ার করলেই আপনার দায়িত্ব শেষ? ভার্চুয়াল দুনিয়ার বাইরে আসল দুনিয়ায় হিন্দু স্বার্থ রক্ষা করতে আপনার কি ভূমিকা? আপনারা স্বপ্ন দেখেন হিন্দুদের নবজাগরনের কিন্তু সেটার জন্য কতটা মূল্য আপনি নিজে দিয়েছেন?
না, আপনাকে লজ্জা দেয়া বা বিব্রত করার জন্যে এই লেখা নয়। আমাদের লড়াইতে আমাদের আপনাকে দরকার। আপনার 'তন মন ধনের' মাঝেরটা যে আমাদের সাথে সবসময় আছে সেটা আমরাও জানি কিন্তু আজকের দিনে শুধু সেটা যথেষ্ট নয়। তার সাথে আপনাকে হয় তন অর্থাৎ শারীরিক অবদান নয় ধন অর্থাৎ আর্থিক সহযোগিতা আপনাকে করতে হবে।
আপনার প্রত্যক্ষ প্রতিনিধিত্বই আমাদের কাছে প্রথম কাম্য কারন আমরা বিশ্বাস করি যে এই রাজ্যে হিন্দুদের পুনরায় মাথা উঁচু করে বাঁচার জন্যে প্রত্যক্ষ সংগ্রামই একমাত্র পথ। কিন্তু আপনি যদি সেটা একান্তই না পারেন তাহলে অন্তত আপনার বাড়িতে মা লক্ষ্মীর ঝাঁপির পাশে আরেকটা কৌটো বসান আর সেটার গায়ে লিখুন 'আত্মসম্মানের মূল্য'। মাসের প্রতিদিন নিয়ম করে ঐ কৌটোতে, কয়েন হলে কয়েন আর টাকা হলে টাকা, যা পারেন জমা করুন। সবচেয়ে ভাল হয় যদি সেটা বাড়ির ছোটদের দিয়ে জমা করান যাতে তারাও 'আত্মসম্মানের মূল্য' বুঝতে পারে। মাসের শেষে জমা টাকা সম্ভব হলে সরাসরি হিন্দু সংহতির অফিসে অন্যথায় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিয়ে পরের দিন থেকে আবার সেই জমানো শুরু। বাড়িতে লক্ষ্মীর ঝাঁপি নেই? নো প্রবলেম। আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে অনলাইনে টাকা পাঠিয়ে দিন। অনলাইন অ্যাকাউন্টও নেই? আপনার ব্যাঙ্কে স্ট্যান্ডিং ইনস্ট্রাকশন দিয়ে রাখুন যাতে একটা নির্দিষ্ট তারিখে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা ট্রান্সফার হয়ে যায়।
একবার দেশভাগ মেনে নিয়েছি, আবারও কি সেটা দেখতে হবে? লড়াই না করেই আবার নিজেদের জমি মুসলমানদের হাতে সঁপে দিয়ে উদ্বাস্তু হবো? মন দিয়ে আপনি যে এ লড়াইতে আমাদের সাথে আছেন সেটা জানি, এবার প্রয়োজন হয় রক্ত নয় অর্থ। কোনটা দেবেন, সিদ্ধান্ত আপনার।