Thursday, July 9, 2015

অজিত দোভাল

প্রচারের আলো থেকে নিজেকে সযত্নে সরিয়ে রেখেও কিভাবে দেশের স্বার্থ রক্ষা করা যায় আজকের দিনে তার সবচেয়ে বড় দৃষ্টান্ত হলেন ভারতের সুরক্ষা উপদেষ্টা, শ্রী অজিত দোভাল। মিডিয়ার ধরাছোঁয়া এবং রাজনৈতিক কুটকাচালি এড়িয়ে, অত্যন্ত শান্তভাবে তিনি নিজের লক্ষ্যে অবিচল।

ব্রজেশ মিশ্রের মত অযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা বানিয়ে বাজপেয়ী যে ভুল করেছিলেন, মোদী সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছেন আর তার লাভও তিনি হাতেনাতে পাচ্ছেন। ইয়েমেন থেকে ইসরায়েল, কানাডা থেকে অস্ট্রেলিয়া, মোদীর সবকটি আন্তর্জাতিক সাফল্যের পিছনেই আসল মস্তিষ্ক শ্রী অজিত দোভাল। আর মোদী স্বয়ং দোভালের উপর এতটাই ভরসা করেন যে তাকে দেশের স্বার্থে সবরকম সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার দিয়ে রেখেছেন। শোনা যায় যে ইসরায়েলের সাথে সামরিক চুক্তির সময় বিদেশ মন্ত্রক ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের থেকে সম্মতি পাওয়ার আগেই শ্রী দোভাল চুক্তিপত্র সই করে দেন।

মোদীর অধিকাংশ বিদেশ সফরেই দোভাল তার অনিবার্য সঙ্গী। সদ্য বাংলাদেশ সফরেও তাঁর যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু গত ৪ঠা জুন মনিপুরে ভারতীয় সৈন্যদের উপর হামলা হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। মোদীর সফরসঙ্গী না হয়ে দোভাল দিল্লীতেই থেকে যান এবং বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাউন্টার অ্যাটাকের পরিকল্পনা সাজান। আর্মি ও এয়ারফোর্স যৌথ আক্রমনের রুপরেখা তৈরি করার পর মায়ানমারের ভারতীয় দূতাবাস থেকে সেই মর্মে মায়ানমারের সরকারকে অবহিত করা হয়। এরপরেই ভারতীয় সেনা মায়ানমারের সীমা পার করে সেদেশে ঢুকে জঙ্গিদের আক্রমন করে।

মাননীয় রেলমন্ত্রী সমীপেষু

মহাশয়, "রেলযাত্রী/গ্রাহক পক্ষ" উপলক্ষে আপনার মন্ত্রালয়ের তরফ থেকে বিভিন্ন স্টেশন, লেভেলক্রশিং সহ সংবাদপত্রগুলিতে বিজ্ঞাপন দিয়ে সুরক্ষার স্বার্থে যাত্রীদের বিভিন্ন প্রকার "DOs & DON'Ts" মেনে চলতে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। দেশব্যাপী এই বিশাল প্রচারে ব্যবহৃত হওয়া টাকা যে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন বাবদ রেলের আয় থেকে খড়চা করা হচ্ছে সেটা সহজেই অনুমেয়।

আপনাদের এই বিশাল কর্মকান্ড দেখে মনে প্রশ্ন জাগে যে এই "DOs & DON'Ts" গুলো কি খালি যাত্রীদের জন্যেই প্রযোজ্য, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কোন দায় নেই? বৈধ টিকিট কেটে ভ্রমন করা যাত্রীদের নিরাপত্তার কোন দায়িত্বই কি রেল পালন করবেনা? দায় যদি থেকেই থাকে তাহলে কি করে শিয়ালদহের মত গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে, GRP ও RPF-এর বিপুল সংখ্যক উপস্থিতি সত্বেও তাদের দৃষ্টি এড়িয়ে দুষ্কৃতিরা বোমা ও পিস্তল সহ নানা প্রাণঘাতী অস্ত্র নিয়ে ট্রেনে সওয়ার হতে পারে? দায় যদি থেকেই থাকে তাহলে কি করে গত ৪ঠা জুন, সমুদ্রগড় স্টেশনে, দুষ্কৃতীরা বিনা বাধায় রেলওয়ের সম্পত্তি ভাংচুর করতে পারে, সেগুলিতে আগুন লাগাতে পারে এমনকি উপস্থিত যাত্রীদেরও আক্রমন করতে পারে? "রেলওয়ে সম্পত্তি আপনার সম্পত্তি। একে নষ্ট করবেন না" বলেই আপনার দায়িত্ব শেষ, একে রক্ষা করার কোন দায় নেই? তাহলে জনগণের টাকায় খামোখা সুরক্ষা দল পুষে কি লাভ?

জনগণ অনেক স্বপ্ন নিয়ে 'আচ্ছে দিনে'র আশায় এবার ভোট দিয়েছিল, বছরে একদিন সংসদে দাঁড়িয়ে বাজেট পেশ করলেই সুদিন আসবেনা। আশা করি আপনি তাদের এই আশার উপযুক্ত মর্যাদা দেবেন এবং আপনার পূর্বসূরিদের বিপড়িত পথে হেঁটে ভারতীয় রেলকে তার হৃত সম্মান পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করবেন।

বিনীত,
প্রসূন মৈত্র
 

প্রসঙ্গ: স্বচ্ছ ঘুষিপাড়া অভিযান

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্বচ্ছ ভারত অভিযানের অঙ্গ হিসাবে কিছুদিন আগে আমাদের অফিস থেকে অফিস সংলগ্ন, মুসলিম অধ্যুষিত, ঘুষিপাড়া অঞ্চলটিকে নির্বাচিত করা হল। বিশাল আয়োজন। বেশ কিছু নতুন ঝাঁটা কেনা হল, ডাস্টবিন কেনা হল, এমনকি ঝাঁট দেবার সময় মুখে লাগানোর মাস্কও কেনা হল।
তারপর নির্দিষ্ট দিনে, আমন্ত্রিত প্রেসের সামনে শুরু হল সাফাই অভিযান। ম্যানেজমেন্ট ও ইউনিয়ন - দুই তরফেরই অধিকারীরা বাকি সকলের সাথে হাত মিলিয়ে রাস্তা পরিস্কার করলেন। সকলের ঐকান্তিক শ্রমে কিছুক্ষনের মধ্যেই এলাকার রূপ বদলে গেল। রাস্তার দুইপাশে, সদ্যকেনা, ডাস্টবিনও বসানো হল। আর এই কর্মযজ্ঞ দেখতে উপস্থিত এলাকার অধিবাসীদের অনুরোধ করা হল তারা যেন এই রাস্তা পরিস্কার রাখেন আর আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলেন।
খুব বেশী হলে দিন দুয়েক এরকম পরিচ্ছন্ন রূপ বজায় ছিল, তারপরই আবার সে তার পুরনো রূপ ধারণ করলো। কিছুদিনের মধ্যে রাস্তার পাশে বসানো বেশ কিছু ডাস্টবিনও গায়েব হয়ে গেল। একসপ্তাহ পরে, আনন্দবাজারে প্রকাশিত ছবি ছাড়া, আমাদের অফিসের স্বচ্ছ ভারত অভিযানের আর কোন প্রমানই রইল না।
তবে এটা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, আমাদের দেশের অধিকাংশ স্থানে, যেখানে নিয়মিত নজরদারি নেই, এরকম হওয়াটাই স্বাভাবিক। যতদিন না আমরা আমাদের জাতীয় সম্পত্তিগুলিকে আপন বলে ভাবতে শিখবো, এরকম চলতেই থাকবে। তাই জাতীয় চেতনার উন্মেষ ছাড়া জাতীয় উন্নয়ন অলীক স্বপ্ন বই আর কিছু নয়।

Aadhar fiasco

BJP went all out against UPA, Nandan Nielkeni and his brainchild Aadhar demanding constitutional validity of the project while it was in opposition. A few of them even went on to allege that Aadhar project was Christian lobby's ploy, which was being implemented, to get access to biometric record of citizens.
Now, once BJP came to power, all the equations have suddenly got changed. Even though the Supreme Court has ruled out Aadhar as a valid document to be considered for citizenship, Narendra Modi led NDA govt is hell bent to merge Aadhar with every documents of citizens. After it's decision to link Aadhar with Voter Id card and PAN card, now, it wants to link it, newly launched, digital locker as well. If this is done, anybody with a key to Aadhar records, shall be able to access every single detail of any citizen though Aadhar itself does not have any constitutional validity.
Now, the questions is, if Aadhar was implemented by Sonia under the advise of Christian lobby, as alleged by BJP then, what is compelling Narendra Modi to implement it now?

কর্তব্য

আবেদন-নিবেদনের দ্বারা কখনও কোন লক্ষ্যপ্রাপ্তি হয়না, সংঘাতই একমাত্র উপায়।
কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের আগে কৌরব রাজসভায় শ্রীকৃষ্মের শান্তিদূতের ভূমিকা থেকে ইংরেজদের প্রতি গান্ধীর অনশনের অহিংস সত্যাগ্রহ, ইতিহাস সাক্ষী যে শুধু শান্তির মাধ্যমে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা অসম্ভব। এই কারনেই যে শ্রীকৃষ্ম বরাবর যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা করছিলেন তিনিই গীতার মাধ্যমে অর্জুনের ক্লীবত্বকে ধ্বংস করে তাঁকে যুদ্ধ করতে প্রেরণা দেন। এই কারনেই সুভাষ চন্দ্র বোস কংগ্রেসের আবেদন-নিবেদনের রাজনীতি ছেড়ে নেতাজী রুপে সৈন্যদল গঠন করেন এবং ব্রিটিশকে ভারত ছাড়তে বাধ্য করেন।
আজও যারা বিশ্বাস করেন যে আবেদন-নিবেদনের দ্বারা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যপূরন সম্ভব তারা হয় ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞ অথবা জেনেবুঝে নিজেদের ঠকাচ্ছেন। টমাস জেফারসন যথার্তই বলেছেন "অন্যায়টাই যখন নিয়ম হয়ে দাঁড়ায়, প্রতিবাদটা তখন কর্তব্য"।

Bhakts

Really pissed off with the attitude of 'vakts' who are comparing Modi's one year in power with that of Man Mohan Singh. 'vakts' are justifying Modi's 53 days world tour covering 18 countries with MMS's 47 days of tour covering 12 countries. They are even propagating India's latest 85th rank in the list of transparency compared to 95 last year.
One question to 'vakts'- If Mannu's govt was that much worthy to compare as an yardstick, should they been forced to cease into mere 44 numbers of parliament and that too after sticking to power for 10 years?
One simple request to 'vakts'- Country have rejected MMS govt and thus its style of functioning one year ago. Don't do injustice to the mandate given to Modi by comparing it with Mannu's performance.

Change in stand?

I remember the hullabaloo created by the opposition in the year 1988, when, during his visit to People's Republic of China, then Prime Minister of India, Rajiv Gandhi, conceded a good areas of India's land to China when he said that the McMohon has been a bit thicker in some areas, so, it could not be determined who was the actual owner of that area. It was no wonder that Rajiv Gandhi felt no attachment with land of his own country just like his grandfather J.L.Nehru, who was in no pain as China forcibly captured some portion of India's territory at then NEFA (North East Frontier Agency) as he said in the Parliament, "what is the use of that land where not even a grass can be grown?". Dr. S.P. Mukhopadhyay, the leader of the opposition, promptly countered him, "even though there is no hair in the head of our Prime Minister, should we consider that as valueless?".
Since then, gallons of water has passed through the river Ganga and Hoang Ho. The party, which was in opposition then and made furor over the Prime Minister, has come to power now. But has there really been any change in the attitude in the last 27 years? People, who objected to the "thick line" comment then, are now of the view that "there is no commonly delineated Line of Actual Control (LAC) in the border areas between India and China". After making such comment in the Parliament, can we ever claim forceful possession of India's territory by China in any international forum or during bilateral discussion?

সিদ্ধান্ত আপনার

আগের কথা যদি নাও ধরি, গত ১৫ দিনে হিন্দু সংহতি ও জন অধিকার মঞ্চ উভয় মিলে মল্লিকপুর, কলিগঞ্জ আর হাঁসখালি সহ তিনটি ঘটনা সারা রাজ্য তথা দেশ তথা পৃথিবীর সামনে তুলে ধরেছে। কলেজ স্কোয়ার ও বউবাজারে দুটি বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেছে। প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত করেছে। মেইনস্ট্রীম মিডিয়ার একটা অংশকে বাধ্য করেছে খবরগুলি জনসমক্ষে আনতে।
তাদের এই ভূমিকা বিভিন্ন সোশাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে। 'লাইক', 'শেয়ার', 'রিটুইট' আর 'ফেবারিট'-র জোয়ার এসেছে তাদের প্রতিটা পোষ্টে। কমেন্টে কমেন্টে উপচে পরেছে তাদের ছবি ও পোষ্টগুলি। www.hindusamhati.net এর ভিসিটর সংখ্যা এই পনের দিনেই ৬ হাজার থেকে বেড়ে ৯১ হাজারে পৌছে গেছে। কিন্তু তারপর?
উক্ত পোষ্টগুলিতে যারা কমেন্ট করেছেন বা সেগুলি 'লাইক', 'শেয়ার', 'রিটুইট' আর 'ফেবারিট' করেছেন বা যারা হিন্দু সংহতির ওয়েব সাইট পর্যন্ত ভিসিট করেছেন তাদের মধ্যে কতজন সেই সাইটেই 'ডোনেট' অপশনে ক্লিক করেছেন? সোশাল মিডিয়ায় হিন্দু সংহতি বা জন অধিকার মঞ্চের কাজের প্রশংসা করলে বা সেটা শেয়ার করলেই আপনার দায়িত্ব শেষ? ভার্চুয়াল দুনিয়ার বাইরে আসল দুনিয়ায় হিন্দু স্বার্থ রক্ষা করতে আপনার কি ভূমিকা? আপনারা স্বপ্ন দেখেন হিন্দুদের নবজাগরনের কিন্তু সেটার জন্য কতটা মূল্য আপনি নিজে দিয়েছেন?
না, আপনাকে লজ্জা দেয়া বা বিব্রত করার জন্যে এই লেখা নয়। আমাদের লড়াইতে আমাদের আপনাকে দরকার। আপনার 'তন মন ধনের' মাঝেরটা যে আমাদের সাথে সবসময় আছে সেটা আমরাও জানি কিন্তু আজকের দিনে শুধু সেটা যথেষ্ট নয়। তার সাথে আপনাকে হয় তন অর্থাৎ শারীরিক অবদান নয় ধন অর্থাৎ আর্থিক সহযোগিতা আপনাকে করতে হবে।
আপনার প্রত্যক্ষ প্রতিনিধিত্বই আমাদের কাছে প্রথম কাম্য কারন আমরা বিশ্বাস করি যে এই রাজ্যে হিন্দুদের পুনরায় মাথা উঁচু করে বাঁচার জন্যে প্রত্যক্ষ সংগ্রামই একমাত্র পথ। কিন্তু আপনি যদি সেটা একান্তই না পারেন তাহলে অন্তত আপনার বাড়িতে মা লক্ষ্মীর ঝাঁপির পাশে আরেকটা কৌটো বসান আর সেটার গায়ে লিখুন 'আত্মসম্মানের মূল্য'। মাসের প্রতিদিন নিয়ম করে ঐ কৌটোতে, কয়েন হলে কয়েন আর টাকা হলে টাকা, যা পারেন জমা করুন। সবচেয়ে ভাল হয় যদি সেটা বাড়ির ছোটদের দিয়ে জমা করান যাতে তারাও 'আত্মসম্মানের মূল্য' বুঝতে পারে। মাসের শেষে জমা টাকা সম্ভব হলে সরাসরি হিন্দু সংহতির অফিসে অন্যথায় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিয়ে পরের দিন থেকে আবার সেই জমানো শুরু। বাড়িতে লক্ষ্মীর ঝাঁপি নেই? নো প্রবলেম। আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে অনলাইনে টাকা পাঠিয়ে দিন। অনলাইন অ্যাকাউন্টও নেই? আপনার ব্যাঙ্কে স্ট্যান্ডিং ইনস্ট্রাকশন দিয়ে রাখুন যাতে একটা নির্দিষ্ট তারিখে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা ট্রান্সফার হয়ে যায়।
একবার দেশভাগ মেনে নিয়েছি, আবারও কি সেটা দেখতে হবে? লড়াই না করেই আবার নিজেদের জমি মুসলমানদের হাতে সঁপে দিয়ে উদ্বাস্তু হবো? মন দিয়ে আপনি যে এ লড়াইতে আমাদের সাথে আছেন সেটা জানি, এবার প্রয়োজন হয় রক্ত নয় অর্থ। কোনটা দেবেন, সিদ্ধান্ত আপনার।

প্রশ্ন

বীরভূমের পাড়ুইতে রাহুল সিনহার নেতৃত্বে রাজ্য বিজেপি যে তৎপরতা দেখিয়েছিল, দক্ষিন ২৪ পরগনার মল্লিকপুর অথবা নদীয়ার হাঁসখালি বা কলিগঞ্জের ক্ষেত্রে সেই তৎপরতা দেখায় না কেন? বাবুল সুপ্রিয়, আলুওয়ালিয়া বা চন্দন মিত্রের মত সাংসদরা পাড়ুই নিয়ে সংসদ অচল করে দেয় কিন্তু মল্লিকপুর বা কলিগঞ্জ নিয়ে তারা মৌন কেন? জুয়া খেলার বাটোয়ারা নিয়ে ঝামেলায় কোন মুসলমান মারা গেলে রাহুল সিনহা নিমেষে তার বাড়ি পৌছে যায় কিন্তু হিন্দুদের ধর্মীয় শোভাযাত্রার উপর মুসলমানরা আক্রমন করে পাঁচজন হিন্দুকে হত্যা করার ৫ দিন পরেও রাহুল সিনহার সময় হয়না তাদের কাছে পৌছাবার।

আপনি কি মিসকল দিয়ে এই দলের সদস্যপদ নিয়েই পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুত্বের নবজাগরনের স্বপ্ন দেখেছিলেন?

পক্ষপাত

খুব বেশী নয়, মাত্র মাসখানেক আগের কথা। বীরভূমের পাড়ুইতে মুসলিমদের উপড়ে অত্যাচারের কথা সংসদে আলোচনা করার প্রস্তাব দিতে বাংলার তরুন তূর্কী বাবুল সুপ্রিয় ছুটলেন সংসদীয়মন্ত্রী মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভির কাছে। সাথে বঙ্গ বিজেপির আরেক সংসদ, আলুওয়ালিয়া এবং চন্দন মিত্র। মন্ত্রীর সাথে দেখা করে বেড়িয়ে মিডিয়ার সামনে বাবুল বাবুর আগুন ঝরানো বিবৃতি।
আজ যখন নদীয়া বা মল্লিকপুরে হিন্দুরা বারবার জেহাদি আক্রমনের শিকার হচ্ছে তখন কোথায় বাবুল সুপ্রিয়? কোথায় আলুওয়ালিয়া বা চন্দন মিত্র? পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের নিরাপত্তাই কি তাদের একমাত্র চিন্তা? হিন্দুভোট তাদের হাতের পাঁচ বলে কি হিন্দুরা চিরকাল ব্রাত্যই থেকে যাবে? এরপরেও হিন্দুদের বিশ্বাস করতে হবে যে এ রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে তাদের অধিকার সুরক্ষিত হবে?

Biased Act

If I remember correctly, inspite of himself being a minister, Babul Supriyo along with another MP from WB, S.S. Ahluwalia and Chandan Mitra, made a representation to Mukhtar Abbas Naqbi, Minister of State for Parliamentary Affairs, to raise the issue of attack on Muslim supporters of BJP at Parui, Birbhum.

Have we seen any such activity by them in case of attacks on Hindus at Nadia, Mallikpur or Panchagram?

Tuesday, May 5, 2015

আপনি তো সেকুলার

আরে মশাই, নদীয়ার ঘটনা নিয়ে আপনি খামোখা রাতের ঘুম নষ্ট করতে যাবেন কেন? দেগঙ্গা থেকে ক্যানিং, পাঁচলা  থেকে নৈহাটি - এরকম ঘটনা তো কতই ঘটছে। সব সাজানো ঘটনা। আরে বাবা, সেরকম সিরিয়াস কিছু হলে কি আনন্দবাজার বা টাইমসের বাঘা বাঘা সাংবাদিকরা চুপ করে থাকতো? তবে একটা ব্যাপার কি, দুস্টুলোকেরা বলে ওরা নাকি সাংবাদিক নয়, প্রেশ্যা। যে ভাল দড় দেয়, তার কোলেই ঢলে পরে। এই যেমন ২০১৩ সালে ক্যানিং-এ আহমেদ হাসান ইমরানের নেতৃত্বে হিন্দুদের দুটো গ্রাম পুড়িয়ে দেবার খবর আনন্দবাজার একবছর ধরে চেপে রেখে তারপর প্রকাশ করলো। কারণ তখন দিদির সরকারের সঙ্গে তার মধুচন্দ্রিমা চলছিল। আবার আবার উস্তিতে যখন মোল্লারা হিন্দুদের বাজার লুট করলো তখন আনন্দবাজার কি লিখলো? ২০০০ দুষ্কৃতী নাকি এই কাজ করেছে। লক্ষ্য করুন শব্দটা –দুষ্কৃতী, মুসলিম নয়। কখনও শুনেছেন ২০০০ দুষ্কৃতী একযোগে আক্রমন করে? এই জন্যেই এরা প্রেশ্যা। গত ২২শে এপ্রিল দক্ষিন ২৪ পরগনার মল্লিকপুরে ২০০০ হিন্দুকে গ্রামছাড়া করলো মুসলিমরা, কোন কাগজে সেই খবর দেখেছেন? আর দেখবেনই বা কেন, আপনি তো কাগজ পড়েন আইপিএলে কি হল সেটা জানতে আর সাথে মুকুল রায় শেষ অবধি কোন দলে থাকবে সেটা জানতে। তাই নদীয়ায় মুসলমানদের হাতে ৩ জন হিন্দু খুন হলেও আপনার কিছু যায় আসেনা। তবে আপনার কিছু এসে না গেলেও আপনার মেয়ের কিন্তু এসে যাবে। যখন তাকে বোরখা পরে তিনজন সতীন আর পাঁচটা বাচ্চা নিয়ে ঘরে বন্দী থাকতে হবে বা আপনার ছেলেকে ছুন্নত করে, মাথায় টুপি পরে দিনে পাঁচবার নামাজ পরতে হবে। অবশ্য তাতে আপনার কি এসে যায়, আপনি তো সেকুলার।

Thursday, April 30, 2015

রেখেছ বাঙালী করে...

৩৮ বছরের বাম শাসনে (হ্যাঁ, দিদির ৪ বছরের শাসনও বাম শাসন থেকে পৃথক কিছু নয়) বাঙালীর মেরুদন্ড ভেঙে গেছে। তাই তারা আর প্রতিবাদ করতে পারেনা। আত্মকেন্দ্রিকতা গ্রাস করেছে তাদের দেহের প্রতিটি কোষকে। তাই নির্লজ্জ মুসলিম তোষন থেকে সীমাহীন দুর্নীতি - কোন কিছুই তাদের আর নাড়া দেয়না। আমিত্বের মোহে তারা বদ্ধ। তাই রিগিং-এর সময় তারা প্রানভয়ে প্রতিবাদ করেনা আর বনধের দিন ছুটির আমেজে বাইরে বেরোয় না। পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্রে তাই 'গণ'-র ভূমিকা সবচেয়ে কম। 

কথায় আছে, "নিজের বুঝ পাগলেও বোঝে"। আজকের পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীরা সেই পাগলেরও অধম হয়ে গেছে। প্রশাসনিক মদতে জেহাদি আক্রমনের সামনে প্রতিটা দিন অতিক্রমের সাথে সাথে তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে উঠছে কিন্তু সেদিকে তাদের হুশ নেই। তারা মেতে আছে IPL নিয়ে। সীমান্তের প্রতিটা গ্রাম থেকে পরিকল্পনা করে হিন্দুদের তাড়িয়ে সেখানে বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীরা ঘাঁটি গেড়ে বসছে, মাদ্রাসা তৈরি করে তাদের সন্তানদের জেহাদী শিক্ষায় শিক্ষিত করছে আর আমরা আমাদের সন্তানদের ধর্মনিরপেক্ষতার পাঠ পড়াচ্ছি। তাই আমাদের মুখ্যমন্ত্রী যে খাগড়াগড় বিস্ফোরনকে RAW-এর ষড়যন্ত্র বলে জেহাদিদের বাঁচাতে চাইবে সেটাই তো স্বাভাবিক। এই জন্যেই তো আহমেদ হাসান ইমরানের মত জেহাদি সংসদে আমাদের রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করে। আমাদের মেয়ে বা বোনরা ফেসবুকে তাদের সেলফি পোষ্ট করার সময় একবারও ভাবেনা যে এরকম চলতে থাকলে আর কয়েক বছর পর তাদের প্রকাশ্যে বোরখা ছাড়া বেরোনোর স্বাধীনতা আর থাকবে কিনা!

তবে পাপ নাকি বাপকেও ছাড়েনা আর সেটা ঐ বঙ্গের বাঙালীদের চেয়ে ভাল আর কেই বা জানবে? নিজের বাড়ির সত্যনারায়নের সিন্নি আর রহিমের মা-র হাতের ফিরনি যে তাদের নিরাপত্তা দিতে পারবেনা সেটা বুঝেই দেশভাগের সময় নিজেদের মা-বোনের সম্মান খুইয়ে, বাপ-ঠাকুর্দার ভিটে ছেড়ে উদ্বাস্তু হয়ে এবঙ্গে এসে আশ্রয় নিয়েছিল। খোদ কলকাতা শহরের বাঙালীরা খোদার বান্দাদের ইয়ারির মূল্য দিয়েছিল ১৯৪৬-এর ১৬ই আগস্ট Great Calcutta Killing-এর সময়। সেদিন গোপাল পাঁঠার (মূখার্জী) মত কেউ না থাকলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরকাষ্ঠা কলকাতা শহর অচিরেই হিন্দুশূন্য হয়ে যেত।

তবে বাঙালী হিন্দুর স্মৃতিশক্তি খুবই দূর্বল। তাই নিজের ঘরের পাশে দেগঙ্গা, ক্যানিং, পাঁচলা, নৈহাটি প্রভৃতি জায়গায় সে বারবার Direct Action Day বা দেশভাগের সময়কার অনুরূপ ছবি দেখলেও সে নিজেকে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে মিথ্যা সান্ত্বনা দিয়ে শান্ত রাখে। আর এই মিথ্যা প্রয়াসে সে প্রবোধ খোঁজে রাজনেতাদের স্তোতবাক্যে আর মিডিয়ার ভ্রান্ত প্রচারে। নিজের বিবেক, বুদ্ধি আর যুক্তিবোধকে শিকেয় তুলে সে বাস করতে থাকে এক কল্পনার জগতে। "স্বপন যদি মধুর এমন হোক সে মিছে কল্পনা, জাগিও না; আমায় জাগিও না" - গান শুনতে ভালো লাগে কিন্তু বাস্তবেও যদি স্বপনবিলাসী হয়ে পরেন তাহলে যখন চোখ খুলবেন তখন বড় বেশি দেরী হয়ে যাবেনা তো? আপনি হয়তো বেঁচে যাবেন, আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বাঁচবে কি?