Thursday, July 9, 2015

কর্তব্য

আবেদন-নিবেদনের দ্বারা কখনও কোন লক্ষ্যপ্রাপ্তি হয়না, সংঘাতই একমাত্র উপায়।
কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের আগে কৌরব রাজসভায় শ্রীকৃষ্মের শান্তিদূতের ভূমিকা থেকে ইংরেজদের প্রতি গান্ধীর অনশনের অহিংস সত্যাগ্রহ, ইতিহাস সাক্ষী যে শুধু শান্তির মাধ্যমে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা অসম্ভব। এই কারনেই যে শ্রীকৃষ্ম বরাবর যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা করছিলেন তিনিই গীতার মাধ্যমে অর্জুনের ক্লীবত্বকে ধ্বংস করে তাঁকে যুদ্ধ করতে প্রেরণা দেন। এই কারনেই সুভাষ চন্দ্র বোস কংগ্রেসের আবেদন-নিবেদনের রাজনীতি ছেড়ে নেতাজী রুপে সৈন্যদল গঠন করেন এবং ব্রিটিশকে ভারত ছাড়তে বাধ্য করেন।
আজও যারা বিশ্বাস করেন যে আবেদন-নিবেদনের দ্বারা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যপূরন সম্ভব তারা হয় ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞ অথবা জেনেবুঝে নিজেদের ঠকাচ্ছেন। টমাস জেফারসন যথার্তই বলেছেন "অন্যায়টাই যখন নিয়ম হয়ে দাঁড়ায়, প্রতিবাদটা তখন কর্তব্য"।

Bhakts

Really pissed off with the attitude of 'vakts' who are comparing Modi's one year in power with that of Man Mohan Singh. 'vakts' are justifying Modi's 53 days world tour covering 18 countries with MMS's 47 days of tour covering 12 countries. They are even propagating India's latest 85th rank in the list of transparency compared to 95 last year.
One question to 'vakts'- If Mannu's govt was that much worthy to compare as an yardstick, should they been forced to cease into mere 44 numbers of parliament and that too after sticking to power for 10 years?
One simple request to 'vakts'- Country have rejected MMS govt and thus its style of functioning one year ago. Don't do injustice to the mandate given to Modi by comparing it with Mannu's performance.

Change in stand?

I remember the hullabaloo created by the opposition in the year 1988, when, during his visit to People's Republic of China, then Prime Minister of India, Rajiv Gandhi, conceded a good areas of India's land to China when he said that the McMohon has been a bit thicker in some areas, so, it could not be determined who was the actual owner of that area. It was no wonder that Rajiv Gandhi felt no attachment with land of his own country just like his grandfather J.L.Nehru, who was in no pain as China forcibly captured some portion of India's territory at then NEFA (North East Frontier Agency) as he said in the Parliament, "what is the use of that land where not even a grass can be grown?". Dr. S.P. Mukhopadhyay, the leader of the opposition, promptly countered him, "even though there is no hair in the head of our Prime Minister, should we consider that as valueless?".
Since then, gallons of water has passed through the river Ganga and Hoang Ho. The party, which was in opposition then and made furor over the Prime Minister, has come to power now. But has there really been any change in the attitude in the last 27 years? People, who objected to the "thick line" comment then, are now of the view that "there is no commonly delineated Line of Actual Control (LAC) in the border areas between India and China". After making such comment in the Parliament, can we ever claim forceful possession of India's territory by China in any international forum or during bilateral discussion?

সিদ্ধান্ত আপনার

আগের কথা যদি নাও ধরি, গত ১৫ দিনে হিন্দু সংহতি ও জন অধিকার মঞ্চ উভয় মিলে মল্লিকপুর, কলিগঞ্জ আর হাঁসখালি সহ তিনটি ঘটনা সারা রাজ্য তথা দেশ তথা পৃথিবীর সামনে তুলে ধরেছে। কলেজ স্কোয়ার ও বউবাজারে দুটি বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেছে। প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত করেছে। মেইনস্ট্রীম মিডিয়ার একটা অংশকে বাধ্য করেছে খবরগুলি জনসমক্ষে আনতে।
তাদের এই ভূমিকা বিভিন্ন সোশাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে। 'লাইক', 'শেয়ার', 'রিটুইট' আর 'ফেবারিট'-র জোয়ার এসেছে তাদের প্রতিটা পোষ্টে। কমেন্টে কমেন্টে উপচে পরেছে তাদের ছবি ও পোষ্টগুলি। www.hindusamhati.net এর ভিসিটর সংখ্যা এই পনের দিনেই ৬৬ হাজার থেকে বেড়ে ৯১ হাজারে পৌছে গেছে। কিন্তু তারপর?
উক্ত পোষ্টগুলিতে যারা কমেন্ট করেছেন বা সেগুলি 'লাইক', 'শেয়ার', 'রিটুইট' আর 'ফেবারিট' করেছেন বা যারা হিন্দু সংহতির ওয়েব সাইট পর্যন্ত ভিসিট করেছেন তাদের মধ্যে কতজন সেই সাইটেই 'ডোনেট' অপশনে ক্লিক করেছেন? সোশাল মিডিয়ায় হিন্দু সংহতি বা জন অধিকার মঞ্চের কাজের প্রশংসা করলে বা সেটা শেয়ার করলেই আপনার দায়িত্ব শেষ? ভার্চুয়াল দুনিয়ার বাইরে আসল দুনিয়ায় হিন্দু স্বার্থ রক্ষা করতে আপনার কি ভূমিকা? আপনারা স্বপ্ন দেখেন হিন্দুদের নবজাগরনের কিন্তু সেটার জন্য কতটা মূল্য আপনি নিজে দিয়েছেন?
না, আপনাকে লজ্জা দেয়া বা বিব্রত করার জন্যে এই লেখা নয়। আমাদের লড়াইতে আমাদের আপনাকে দরকার। আপনার 'তন মন ধনের' মাঝেরটা যে আমাদের সাথে সবসময় আছে সেটা আমরাও জানি কিন্তু আজকের দিনে শুধু সেটা যথেষ্ট নয়। তার সাথে আপনাকে হয় তন অর্থাৎ শারীরিক অবদান নয় ধন অর্থাৎ আর্থিক সহযোগিতা আপনাকে করতে হবে।
আপনার প্রত্যক্ষ প্রতিনিধিত্বই আমাদের কাছে প্রথম কাম্য কারন আমরা বিশ্বাস করি যে এই রাজ্যে হিন্দুদের পুনরায় মাথা উঁচু করে বাঁচার জন্যে প্রত্যক্ষ সংগ্রামই একমাত্র পথ। কিন্তু আপনি যদি সেটা একান্তই না পারেন তাহলে অন্তত আপনার বাড়িতে মা লক্ষ্মীর ঝাঁপির পাশে আরেকটা কৌটো বসান আর সেটার গায়ে লিখুন 'আত্মসম্মানের মূল্য'। মাসের প্রতিদিন নিয়ম করে ঐ কৌটোতে, কয়েন হলে কয়েন আর টাকা হলে টাকা, যা পারেন জমা করুন। সবচেয়ে ভাল হয় যদি সেটা বাড়ির ছোটদের দিয়ে জমা করান যাতে তারাও 'আত্মসম্মানের মূল্য' বুঝতে পারে। মাসের শেষে জমা টাকা সম্ভব হলে সরাসরি হিন্দু সংহতির অফিসে অন্যথায় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিয়ে পরের দিন থেকে আবার সেই জমানো শুরু। বাড়িতে লক্ষ্মীর ঝাঁপি নেই? নো প্রবলেম। আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে অনলাইনে টাকা পাঠিয়ে দিন। অনলাইন অ্যাকাউন্টও নেই? আপনার ব্যাঙ্কে স্ট্যান্ডিং ইনস্ট্রাকশন দিয়ে রাখুন যাতে একটা নির্দিষ্ট তারিখে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা ট্রান্সফার হয়ে যায়।
একবার দেশভাগ মেনে নিয়েছি, আবারও কি সেটা দেখতে হবে? লড়াই না করেই আবার নিজেদের জমি মুসলমানদের হাতে সঁপে দিয়ে উদ্বাস্তু হবো? মন দিয়ে আপনি যে এ লড়াইতে আমাদের সাথে আছেন সেটা জানি, এবার প্রয়োজন হয় রক্ত নয় অর্থ। কোনটা দেবেন, সিদ্ধান্ত আপনার।

প্রশ্ন

বীরভূমের পাড়ুইতে রাহুল সিনহার নেতৃত্বে রাজ্য বিজেপি যে তৎপরতা দেখিয়েছিল, দক্ষিন ২৪ পরগনার মল্লিকপুর অথবা নদীয়ার হাঁসখালি বা কলিগঞ্জের ক্ষেত্রে সেই তৎপরতা দেখায় না কেন? বাবুল সুপ্রিয়, আলুওয়ালিয়া বা চন্দন মিত্রের মত সাংসদরা পাড়ুই নিয়ে সংসদ অচল করে দেয় কিন্তু মল্লিকপুর বা কলিগঞ্জ নিয়ে তারা মৌন কেন? জুয়া খেলার বাটোয়ারা নিয়ে ঝামেলায় কোন মুসলমান মারা গেলে রাহুল সিনহা নিমেষে তার বাড়ি পৌছে যায় কিন্তু হিন্দুদের ধর্মীয় শোভাযাত্রার উপর মুসলমানরা আক্রমন করে পাঁচজন হিন্দুকে হত্যা করার ৫ দিন পরেও রাহুল সিনহার সময় হয়না তাদের কাছে পৌছাবার।

আপনি কি মিসকল দিয়ে এই দলের সদস্যপদ নিয়েই পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুত্বের নবজাগরনের স্বপ্ন দেখেছিলেন?

পক্ষপাত

খুব বেশী নয়, মাত্র মাসখানেক আগের কথা। বীরভূমের পাড়ুইতে মুসলিমদের উপড়ে অত্যাচারের কথা সংসদে আলোচনা করার প্রস্তাব দিতে বাংলার তরুন তূর্কী বাবুল সুপ্রিয় ছুটলেন সংসদীয়মন্ত্রী মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভির কাছে। সাথে বঙ্গ বিজেপির আরেক সংসদ, আলুওয়ালিয়া এবং চন্দন মিত্র। মন্ত্রীর সাথে দেখা করে বেড়িয়ে মিডিয়ার সামনে বাবুল বাবুর আগুন ঝরানো বিবৃতি।
আজ যখন নদীয়া বা মল্লিকপুরে হিন্দুরা বারবার জেহাদি আক্রমনের শিকার হচ্ছে তখন কোথায় বাবুল সুপ্রিয়? কোথায় আলুওয়ালিয়া বা চন্দন মিত্র? পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের নিরাপত্তাই কি তাদের একমাত্র চিন্তা? হিন্দুভোট তাদের হাতের পাঁচ বলে কি হিন্দুরা চিরকাল ব্রাত্যই থেকে যাবে? এরপরেও হিন্দুদের বিশ্বাস করতে হবে যে এ রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে তাদের অধিকার সুরক্ষিত হবে?

Biased Act

If I remember correctly, inspite of himself being a minister, Babul Supriyo along with another MP from WB, S.S. Ahluwalia and Chandan Mitra, made a representation to Mukhtar Abbas Naqbi, Minister of State for Parliamentary Affairs, to raise the issue of attack on Muslim supporters of BJP at Parui, Birbhum.

Have we seen any such activity by them in case of attacks on Hindus at Nadia, Mallikpur or Panchagram?

Tuesday, May 5, 2015

আপনি তো সেকুলার

আরে মশাই, নদীয়ার ঘটনা নিয়ে আপনি খামোখা রাতের ঘুম নষ্ট করতে যাবেন কেন? দেগঙ্গা থেকে ক্যানিং, পাঁচলা  থেকে নৈহাটি - এরকম ঘটনা তো কতই ঘটছে। সব সাজানো ঘটনা। আরে বাবা, সেরকম সিরিয়াস কিছু হলে কি আনন্দবাজার বা টাইমসের বাঘা বাঘা সাংবাদিকরা চুপ করে থাকতো? তবে একটা ব্যাপার কি, দুস্টুলোকেরা বলে ওরা নাকি সাংবাদিক নয়, প্রেশ্যা। যে ভাল দড় দেয়, তার কোলেই ঢলে পরে। এই যেমন ২০১৩ সালে ক্যানিং-এ আহমেদ হাসান ইমরানের নেতৃত্বে হিন্দুদের দুটো গ্রাম পুড়িয়ে দেবার খবর আনন্দবাজার একবছর ধরে চেপে রেখে তারপর প্রকাশ করলো। কারণ তখন দিদির সরকারের সঙ্গে তার মধুচন্দ্রিমা চলছিল। আবার আবার উস্তিতে যখন মোল্লারা হিন্দুদের বাজার লুট করলো তখন আনন্দবাজার কি লিখলো? ২০০০ দুষ্কৃতী নাকি এই কাজ করেছে। লক্ষ্য করুন শব্দটা –দুষ্কৃতী, মুসলিম নয়। কখনও শুনেছেন ২০০০ দুষ্কৃতী একযোগে আক্রমন করে? এই জন্যেই এরা প্রেশ্যা। গত ২২শে এপ্রিল দক্ষিন ২৪ পরগনার মল্লিকপুরে ২০০০ হিন্দুকে গ্রামছাড়া করলো মুসলিমরা, কোন কাগজে সেই খবর দেখেছেন? আর দেখবেনই বা কেন, আপনি তো কাগজ পড়েন আইপিএলে কি হল সেটা জানতে আর সাথে মুকুল রায় শেষ অবধি কোন দলে থাকবে সেটা জানতে। তাই নদীয়ায় মুসলমানদের হাতে ৩ জন হিন্দু খুন হলেও আপনার কিছু যায় আসেনা। তবে আপনার কিছু এসে না গেলেও আপনার মেয়ের কিন্তু এসে যাবে। যখন তাকে বোরখা পরে তিনজন সতীন আর পাঁচটা বাচ্চা নিয়ে ঘরে বন্দী থাকতে হবে বা আপনার ছেলেকে ছুন্নত করে, মাথায় টুপি পরে দিনে পাঁচবার নামাজ পরতে হবে। অবশ্য তাতে আপনার কি এসে যায়, আপনি তো সেকুলার।

Thursday, April 30, 2015

রেখেছ বাঙালী করে...

৩৮ বছরের বাম শাসনে (হ্যাঁ, দিদির ৪ বছরের শাসনও বাম শাসন থেকে পৃথক কিছু নয়) বাঙালীর মেরুদন্ড ভেঙে গেছে। তাই তারা আর প্রতিবাদ করতে পারেনা। আত্মকেন্দ্রিকতা গ্রাস করেছে তাদের দেহের প্রতিটি কোষকে। তাই নির্লজ্জ মুসলিম তোষন থেকে সীমাহীন দুর্নীতি - কোন কিছুই তাদের আর নাড়া দেয়না। আমিত্বের মোহে তারা বদ্ধ। তাই রিগিং-এর সময় তারা প্রানভয়ে প্রতিবাদ করেনা আর বনধের দিন ছুটির আমেজে বাইরে বেরোয় না। পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্রে তাই 'গণ'-র ভূমিকা সবচেয়ে কম। 

কথায় আছে, "নিজের বুঝ পাগলেও বোঝে"। আজকের পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীরা সেই পাগলেরও অধম হয়ে গেছে। প্রশাসনিক মদতে জেহাদি আক্রমনের সামনে প্রতিটা দিন অতিক্রমের সাথে সাথে তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে উঠছে কিন্তু সেদিকে তাদের হুশ নেই। তারা মেতে আছে IPL নিয়ে। সীমান্তের প্রতিটা গ্রাম থেকে পরিকল্পনা করে হিন্দুদের তাড়িয়ে সেখানে বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীরা ঘাঁটি গেড়ে বসছে, মাদ্রাসা তৈরি করে তাদের সন্তানদের জেহাদী শিক্ষায় শিক্ষিত করছে আর আমরা আমাদের সন্তানদের ধর্মনিরপেক্ষতার পাঠ পড়াচ্ছি। তাই আমাদের মুখ্যমন্ত্রী যে খাগড়াগড় বিস্ফোরনকে RAW-এর ষড়যন্ত্র বলে জেহাদিদের বাঁচাতে চাইবে সেটাই তো স্বাভাবিক। এই জন্যেই তো আহমেদ হাসান ইমরানের মত জেহাদি সংসদে আমাদের রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করে। আমাদের মেয়ে বা বোনরা ফেসবুকে তাদের সেলফি পোষ্ট করার সময় একবারও ভাবেনা যে এরকম চলতে থাকলে আর কয়েক বছর পর তাদের প্রকাশ্যে বোরখা ছাড়া বেরোনোর স্বাধীনতা আর থাকবে কিনা!

তবে পাপ নাকি বাপকেও ছাড়েনা আর সেটা ঐ বঙ্গের বাঙালীদের চেয়ে ভাল আর কেই বা জানবে? নিজের বাড়ির সত্যনারায়নের সিন্নি আর রহিমের মা-র হাতের ফিরনি যে তাদের নিরাপত্তা দিতে পারবেনা সেটা বুঝেই দেশভাগের সময় নিজেদের মা-বোনের সম্মান খুইয়ে, বাপ-ঠাকুর্দার ভিটে ছেড়ে উদ্বাস্তু হয়ে এবঙ্গে এসে আশ্রয় নিয়েছিল। খোদ কলকাতা শহরের বাঙালীরা খোদার বান্দাদের ইয়ারির মূল্য দিয়েছিল ১৯৪৬-এর ১৬ই আগস্ট Great Calcutta Killing-এর সময়। সেদিন গোপাল পাঁঠার (মূখার্জী) মত কেউ না থাকলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরকাষ্ঠা কলকাতা শহর অচিরেই হিন্দুশূন্য হয়ে যেত।

তবে বাঙালী হিন্দুর স্মৃতিশক্তি খুবই দূর্বল। তাই নিজের ঘরের পাশে দেগঙ্গা, ক্যানিং, পাঁচলা, নৈহাটি প্রভৃতি জায়গায় সে বারবার Direct Action Day বা দেশভাগের সময়কার অনুরূপ ছবি দেখলেও সে নিজেকে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে মিথ্যা সান্ত্বনা দিয়ে শান্ত রাখে। আর এই মিথ্যা প্রয়াসে সে প্রবোধ খোঁজে রাজনেতাদের স্তোতবাক্যে আর মিডিয়ার ভ্রান্ত প্রচারে। নিজের বিবেক, বুদ্ধি আর যুক্তিবোধকে শিকেয় তুলে সে বাস করতে থাকে এক কল্পনার জগতে। "স্বপন যদি মধুর এমন হোক সে মিছে কল্পনা, জাগিও না; আমায় জাগিও না" - গান শুনতে ভালো লাগে কিন্তু বাস্তবেও যদি স্বপনবিলাসী হয়ে পরেন তাহলে যখন চোখ খুলবেন তখন বড় বেশি দেরী হয়ে যাবেনা তো? আপনি হয়তো বেঁচে যাবেন, আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বাঁচবে কি?

Sunday, March 1, 2015

BJP's flip-flop in the Valley

 

 

In the Common Minimum Program (CMP) for governance, BJP did another U turn and accepted PDP’s demand for continuation of special status for J&K vis-a-vis Article 370 clause number 10 of the CMP. (Photo No. 1)

BJP also gave its consent for “opening new routes across all three regions” with Pakistan vide Clause No. 20 though decision for opening of international border is not a State’s subject but BJP succumbed to the pressure of PDP in quest of power. The flip-flop was further evident in the clause number 21 & 22 (Photo No. 2) where BJP agreed that “coalition government will facilitate and help initiate a sustained and meaningful dialogue with all internal stakeholders, which will include all political groups irrespective of their ideological views and predilections”. It also agreed to abide by the spirit - “Insaaniyat, Kashmiriyat aur Jamhooriyat” - set by the previous NDA Govt. led by A. B. Vajpayee but not Hindustaniyat or Rastriyata. 

In the CMP, BJP allowed the alliance (read CM) to have the power to “examine the need for de-notifying ‘disturbed areas”. So, it will not be the security forces or the Union Govt. who shall evaluate the condition. So, the BJP has allowed the opening floodgate which, in time to come, shall witness withdrawal of security forces from the valley leaving it a free roaming land for cross border infiltrators. (Photo No. 3)

Now, let’s see what is supposed to be the destiny of Kashmiri Pundits as per Clause No. 26 of the CMP. It reads as “Reintegration will be a process that will start within the state as well as the civil society, by taking the community into confidence”. What does it mean? It means, KPs will be welcome in the valley provided local Muslims agree to that.  But we can’t see any precondition in Clause No. 27(a) & 27(b) where rehabilitation for Muslims has been referred. (Photo No. 4)

In Clause No. 28(c) of the CMP, the power for revising “all royally agreements” has been enthused to the coalition led by PDP which is bound to hurt the interest of the nation provided the accession treaty between Raja Hari Singh and the then Govt. of India is revised. (Photo No. 5)

BJP also agreed, vide Clause No. 36, that despite attacks on security forces in the valley by local mob and anti-Indian spirit amongst local resident, Govt. of India, “must fully fund rehabilitation and Relief for the Flood Affected victims and their families” from the exchequer of the Central Govt. which is constituted by Indian tax payers. (Photo No. 6)

http://www.twitlonger.com/show/n_1skvhu1

Wednesday, February 4, 2015

নারীর মর্যাদা

কোন জাতির উত্থান-পতন, উন্নতি-অবনতি সূচিত হয় সে সমাজে নারীদের কি দৃষ্টিতে দেখা হয় তার উপরে। যে সমাজে নারীর সম্মান নেই সে সমাজ অর্থকৌলীন্যে যতই বড় হোক না কেন, অন্তিমে তার পতন অনিবার্য। দ্রৌপদীর অপমানের পরিণতি হিসাবে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে বিশাল কৌরব বংশের ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়া এর উজ্বল দৃষ্টান্ত।

ইসলামে নারীর অবস্থান শুধু ভোগ্যপন্য হিসাবে। নারীদের স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্রতার কোন স্থান সেখানে নেই। তাই নিজের ভোগের জিনিসকে অন্যের থেকে লুকিয়ে রাখার জন্যেই বোরখা ও হিজাবের প্রচলন। তার সৌন্দর্য্য যাতে অন্য কারুর দৃষ্টি আকর্ষন না করে তাই তাকে পর্দানশীন করার চেষ্টা।

হিন্দুসমাজে পর্দাপ্রথার প্রচলন হয় মুসলিম আক্রমনের পরে। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে ভারতের যেসব অঞ্চলগুলি মুসলিমদের অধীনে দীর্ঘদিন ছিল, সেখানেই এই পর্দাপ্রথার প্রচলন ঘটেছে। উত্তর ও পূর্বভারতেই তা প্রধানতঃ সীমাবদ্ধ। স্থানভেদে তার রুপ আলাদা – পাঞ্জাবে দোপাট্টা তো বাংলায় ঘোমটা।


“এ দেশে মেয়েদের পর্দা নেই, কোনদিনও ছিলনা। উত্তর ভারতের এই ম্লেচ্ছ বর্বরতা মারাঠা দেশ কখনও স্বীকার করে নেয়নি।“ – না, এই কথাগুলি বালাসাহেব ঠাকরে বা কোন তথাকথিত উগ্রহিন্দুনেতার নয়। এ দাবী বাঙলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাণপুরুষ শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়ের। তিনি তাঁর মধুমালতী কাহিনীতে বামন রাওকে দিয়ে এই সত্য প্রকাশ করেছেন। এতে যদি কেউ শরদিন্দুবাবুকে উগ্রবাদী ভাবতে চান তো ভাবতেই পারেন কিন্তু এতে সত্য বদলাবেনা।

Monday, January 26, 2015

A Thought

“To save the Sun (which might, one feels, very safely be left to look after itself) a million of Hindus will assemble on the banks of the Ganges. How many, I wonder, would assemble to save India?” – This observation was made by famous English novelist, essayist, critic, and poet, Aldous Huxley in Benares describing what he witnessed during one eclipse when millions of Hindus took holy dip in the river Ganges as part of their rituals.

I think, if my growing age has not made any substantial impact on my memory, I read this piece of composition while I was studying in Higher Secondary. Being born and brought up in a conventional Hindu family and nurtured with RSS ideology of Hindutva from very childhood, I could not be agree with this skepticism from one white colour person and had a heated discussion with the teacher who happened to be alumni of Oxford. Now, with the emergence of each grey hair, I can realize the authenticity of the observation made by Mr. Huxley.

If we carefully look around our surroundings, we can hardly see the existence of our Hindu identity except some rituals. And we, Bangali Hindus, have got so much carried away with these rituals, we have, somehow, conceived them as our identity. We do worship at home but remain alert if there is any call on our mobile. We go to temples on given days for well being of our families but overlook how the properties of temple are constantly being encroached. We donate to deities in the temple but never raise our voice against taking away of that donation by the concerned governments though we know that the government shall never dare doing such thing for funds deposited at masjid or church. We happily pay pilgrimage tax to government for visiting our holy places but never protest against providing subsidy for Haj.

We are happy to live with this because we have compromised our identity with rituals. Somewhere in our mind, we have conceived that mere performance of rituals is the sole way to Moksha (salvation). We have succumbed ourselves in the sphere of only ‘Me and Mine’ and this notion has led us to selfishness. Once Swami Vivekananda said, “expansion is life and contraction is death”. We have voluntarily chosen the path of contraction and that has resulted in death of our identity. That’s why we have become vulnerable to attacks from different quarters yet we cannot protest against that as we are averse to stand by social causes.

Our religion and religious leaders, too, are responsible for such scenario. The flexibility and generosity are the two benchmarks of Hindu dharma and these two features, which have made it the most dynamic religion ever in the history of mankind, have turned it into the target of other Semitic religions. Roles of the most religious leaders are also not beyond question. With huge number of disciples in front of them, they preach for salvation for individuals. They fail to add that no individual can reach the goal of salvation when society is under threat.

বাঙ্গালী হিন্দুর ভবিষ্যৎ

আমাদের অফিসে বেশ কয়েকটা রোডেশিয়ান কুকুর আছে। তাদের বিরুদ্ধে জারি করা HR-র নিয়মিত ফরমানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মা ষষ্টির কৃপায় তারা প্রতি বছর বেশ বংশবৃদ্ধিও করে চলেছে। অফিসের অনেকেই তাদের (প্রকাশ্যে বা আড়ালে) নিয়মিত খেতেও দেয়। HR যতই circular জারী করুক, তারাও তো কৃষ্ণের জীব। এরকমই একটি কুকুর লাঞ্চটাইমে নিয়মিত আমাদের ডিপার্টমেন্টের সামনে হাজিরা দেয়। তার নাম আমরা রেখেছি হ্যালো। আমাদের ডিপার্টমেন্টের দুজন বন্ধু তো তাকে নিয়মিত খেতেও দেয়।

রোজকারমত আজও আমি খাওয়া শেষ করে বাইরে বসে ধূমপান করছি, বাকিদের খাওয়া তখনও শেষ হয়নি, এমন সময় হ্যালো এসে হাজির। আমাকে বাইরে দেখেই সে তার পতাকা নাড়াতে নাড়াতে গুটি গুটি পায়ে আমার কাছে ঘনিয়ে আসলো। আমি তার মাথায় হাত বোলাতে সে চোখ বুজে আদর খেতে লাগলো। এমনসময় সেই দুই বন্ধুর একজন দরজা খুলে বেরোতেই হ্যালো আমাকে ছেড়ে একছুটে নিজের খাবার জায়গায় গিয়ে দাঁড়ালো। এরপর, একে একে দুইজনের দেয়া খাবার শেষ করে সে আবার আমার কাছে এসে দাঁড়ালো। বুঝলাম, খিদের মত মূল চাহিদা অপূর্ণ রেখে আদর খেয়ে পেট ভরানো যায়না।


আমরা বলি সকল প্রানীদের মধ্যে মানুষ হল সবচেয়ে উন্নত প্রজাতি কারণ তারা চিন্তাশীল এবং যুক্তিবোধ দ্বারা চালিত। অন্যান্য প্রানীদের মত তারা প্রবৃত্তির অধীন নয়। কিন্তু প্রবৃত্তির নিবৃত্তি না হলে কি সত্যিই চিন্তাশীল হওয়া যায়? রোটি, কাপরা আউর মকান-এর মত মূল সমস্যার সমাধান না হলে মানুষ কি মৌলিক চিন্তার শরিক হতে পারে? বিশ্বের ইতিহাসের ধারা ভাল করে লক্ষ্য করলে বোঝা যাবে যেসব জাতি যখন দার্শনিক চিন্তাভাবনার তুঙ্গে উঠেছে তারা তার পূর্বেই আর্থিক সমৃদ্ধিরও শীর্ষস্থান দখল করেছে। ঠাকুর যথার্তই বলেছিলেন, “খালি পেটে ধর্ম হয়না”।

ধান ভাঙতে গিয়ে শিবের গীতটা কি একটু বেশীই গেয়ে ফেললাম? নিজের ‘হিন্দুত্ববাদী’ পরিচয়টা সম্পর্ক্যে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল থেকেও আজ মনে প্রশ্ন জাগছে, হিন্দুত্ব, নিঃসন্দেহে, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধর্ম কিন্তু হিন্দু ছাড়া এই ধর্মের অস্তিত্ব আছে কি? আজকের দিনে অতিবড় হিন্দুত্ববাদীও কি হিন্দুশুণ্য স্থানে হিন্দুত্বের অস্তিত্ব কল্পনা করতে পারেন? তাই, মহান এই হিন্দুত্বকে সযত্নে লালন করার জন্যে কি হিন্দুদের অস্তিত্ব বজায় রাখাও অনুরূপ প্রয়োজন নয়? আর হিন্দুদের অস্তিত্ব বজায় রাখার জন্যে কি তাদের মূল চাহিদাগুলির পরিপূরণ একান্তই দরকারি নয়?

কিন্তু কই, আজকের দিনে আমাদের এই রাজ্যে, হিন্দু ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করতে ব্যগ্র ব্যক্তি বা সংগঠনগুলির মধ্যে তো হিন্দুদের এই ন্যুনতম চাহিদাপূরণের জন্যে অনুরূপ আকুতি দেখিনা। একমাত্র ব্যাতিক্রম অবশ্যই হিন্দু সংহতি। কিন্তু বাকিরা এই বিষয়ে নিরাসক্ত কেন? পশ্চিমবঙ্গের গ্রামে গ্রামে হিন্দুরা যখন জিহাদি আক্রমণের ফলে নিজেদের বাড়ি, জমি, পুকুরের দখল হারাচ্ছে, তাদের ঘরের মেয়েদের সম্মান খোয়াচ্ছে, কই তখন তো হিন্দু সংহতি ছাড়া আর কেউ গিয়ে তাদের পাশে দাড়িয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করছেনা। নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই লড়তে ব্যস্ত হিন্দুদের কাছে প্রাথমিক প্রয়োজন কোনটা, এই লড়াইয়ে জয়লাভ নাকি হিন্দুত্বের তাত্বিক বুলি?

অবশ্য কেউ বলতেই পারেন যে প্রত্যেককে নিজের লড়াই নিজেকেই লড়তে হয়। স্বয়ং প্রভুপুত্র বলে গিয়েছেন যে One has to bear one’s own cross কিন্তু সেক্ষেত্রে মনে প্রশ্ন জাগে যে তাহলে সংগঠনের কি দরকার? প্রতিটা গ্রামের হিন্দুদের অস্তিত্ব রক্ষা করার দায় যদি শুধু তাদেরই হয় তাহলে রাজ্য বা দেশব্যাপী সংগঠন থাকার প্রয়োজনটা কি? তাছাড়া স্বয়ং প্রভুপুত্রকেও তো তার কথার জবাবও সেন্ট ভেরোনিকা তৎক্ষণাৎই দিয়েছিলেন, আমি আপনার ক্রসের ভার না বইতে পারি কিন্তু আমার আঁচল দিয়ে আপনার কপালের ঘামটা তো মুছিয়ে দিতে পারি। আজকের দিনে আমাদের রাজ্যে হিন্দু সংহতি ছাড়া আর কোন সংগঠন নেই যারা অন্ততঃ সেন্ট ভেরোনিকার ভুমিকাটাও পালন করতে পারে?